হাদিস · 8366
কতিপয় কুরাইশ প্রায় গাধার সমান তাদের একটি বকরী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে দিয়ে টেনে হিঁচড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। তা দেখে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি…
আল-‘আলিয়াহ বিনত সুবাই‘ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, উহুদের মাঠে আমার বকরী ছিলো। সেখানে মহামারী দেখা দিলে (বকরী মারা গেলে) আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী মাইমুনার কাছে গিয়ে বিষয়টি জানালাম। তিনি বললেন, তুমি তো এর চামড়া নিয়ে এর দ্বারা উপকৃত হতে পারো। আমি বললাম, এর দ্বারা উপকৃত হওয়া কি বৈধ? তিনি বললেন, হ্যাঁ। কতিপয় কুরাইশ প্রায় গাধার সমান তাদের একটি বকরী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে দিয়ে টেনে হিঁচড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। তা দেখে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বললেন: “যদি তোমরা এর চামড়া গ্রহণ করতে। তারা বললো: এটা তো মৃত। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “পানি এবং ছলম বৃক্ষের পাতার রস (কারাজ) এটাকে পবিত্র করে দেয়।”
ব্যাখ্যা
আল-‘আলিয়াহ বিনত সুবাই‘ রাহিমাহুল্লাহ. হাদীস বর্ণনা করেন যে, তার বকরী ছিলো যা রোগে বা অন্য কোন কারণে মারা যায়। অতপর তিনি মাইমুনা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহার কাছে গিয়ে বিষয়টি জানালেন। তিনি তাকে এর চামড়া দ্বারা উপকৃত হওয়ার পরামর্শ দিলেন।
তিনি বললেন, মৃত্যুর পরে এর চামড়া দ্বারা উপকৃত হওয়া কি বৈধ?
তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি তার মতের পক্ষে অনুরূপ একটি ঘটনা বর্ণনা করেন। আর তা হলো কতিপয় কুরাইশ তাদের একটি বকরীকে দূরে ফেলে দিতে ও তার থেকে মুক্তি পেতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে দিয়ে টেনে হিঁচড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। তা দেখে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বললেন: “যদি তোমরা এটিকে ফেলে না দিয়ে এর চামড়া রেখে দিয়ে উপকৃত হতে। তারা বললো: এটা তো মৃত। তারা ভেবেছিলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানতেন না যে এটি মৃত। আর তারা জানত যে, মৃত প্রাণীর সব কিছুই অপবিত্র। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে বললেন: পানি এবং ছলম বৃক্ষের পাতার রস (কারাজ) দ্বারা এটিকে দাবাগাত করলে এটা পবিত্র হয়ে যায়।
এই হাদিস অন্যান্য ভাষায়: Bosanski · English · العربية · Français · Türkçe · Bahasa Indonesia · اردو · فارسی
মূল পাঠ, অনুবাদ, ব্যাখ্যা ও মান: HadeethEnc.com – অনূদিত নববী হাদিস বিশ্বকোষ। সূত্রে দেখুন