হাদিস · 5347
তোমরা ইহুদী ও খৃস্টানদের কে শুরুতে সালাম দিবে না, যখন তোমরা তাদের কারো সাথে সাক্ষাত করবে তাকে সংকীর্ণ রাস্তায় বাধ্য করবে”।
আবূ হুরাইরা রদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
“তোমরা ইহুদী ও খৃস্টানদের কে শুরুতে সালাম দিবে না, যখন তোমরা তাদের কারো সাথে সাক্ষাত করবে তাকে সংকীর্ণ রাস্তায় বাধ্য করবে”।
ব্যাখ্যা
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহুদি এবং খ্রিস্টানদের কে সালাম শুরু করতে নিষেধ করেছেন, এমনকি যদি তারা জিম্মিও হয়, অন্য কাফেরদের কথা তো বাদ। তিনি সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আমরা যখন রাস্তায় তাদের কাউকে দেখব আমরা তাকে সবচেয়ে সংকীর্ণ পথে বাধ্য করব, বস্তুত মুমিনই রাস্তার মাঝখান দিয়ে চলবে, আর যে পাশ কাটিয়ে যাবে সে কাফের। কোন অবস্থাতেই মুমিন লাঞ্ছিত হবে না।
হাদিসের শিক্ষা
- ইহুদি, খ্রিস্টান বা অন্যান্য কাফেরদের কে শুরুতে সালাম দেওয়া কোন মুসলিমের জন্য জায়েজ নয়।
- وعليكم (তোমার ওপরও) বলে তাদের সালামের উত্তর দেওয়া জায়েয, যদি তারা সালাম দিয়ে শুরু করেন।
- কোনো মুসলিমের পক্ষে কাফিরকে সরু পথ নিতে বাধ্য করার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে বিনা কারণে হয়রানি করে তার ক্ষতি করা জায়েজ নয়; কিন্তু রাস্তা যদি সংকীর্ণ বা জনবহুল হয়, তাহলে মুসলিমের এর বেশি হকদার এবং কাফের তা এড়িয়ে চলবে।
- অন্যায় কথাবার্তা বা জুলম করা ছাড়াই মুসলিমদের সম্মান বৃদ্ধি করা এবং অন্যদের ক্ষুদ্রতা প্রদর্শন করা।
- আল্লাহ তা‘আলার সাথে কুফরির কারণে কাফিরদের ওপর সংকীর্ণ করা কখনো তাদের ইসলাম গ্রহণের কারণ হতে পারে, যদি এটি তাদেরকে তার কারণ জানতে উদ্বুদ্ধ করে, যার ফলে তারা আগুন থেকে মুক্তি পাবে।
- একজন মুসলিমের একজন কাফিরকে শুরুতে তুমি কেমন আছো, কিভাবে ভোর করলে, কিভাবে সন্ধ্যা করলে? জাতীয় কথা প্রয়োজন সাপেক্ষে বলা দোষণীয় নয়। কারণ নিষেধাজ্ঞাটি সালামের ভেতর সীমাবদ্ধ।
- তিবি বলেছেন: পছন্দনীয় কথা হল একজন বিদআতিকে প্রথমে সালাম দিবে না, যদি অপরিচিত কাউকে সালাম দেওয়ার পর স্পষ্ট হয় সে জিম্মি অথবা বিদআতি, তখন তাকে ছোট করার জন্য বলবে: আমি আমার সালাম ফিরিয়ে নিলাম।
এই হাদিস অন্যান্য ভাষায়: Bosanski · English · العربية · Deutsch · Türkçe · Bahasa Indonesia · اردو · فارسی
মূল পাঠ, অনুবাদ, ব্যাখ্যা ও মান: HadeethEnc.com – অনূদিত নববী হাদিস বিশ্বকোষ। সূত্রে দেখুন