হাদিস · 4527

আমি একদা ঈদে ‘উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে ছিলাম, তখন তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দুই দিনে সাওম পালন করতে নিষেধ করেছেন। (ঈদুল ফিতরের…

عَنْ أَبِي عُبَيْدٍ، مَوْلَى ابْنِ أَزْهَرَ، قَالَ: شَهِدْتُ العِيدَ مَعَ عُمَرَ بْنِ الخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، فَقَالَ: هَذَانِ يَوْمَانِ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ صِيَامِهِمَا: يَوْمُ فِطْرِكُمْ مِنْ صِيَامِكُمْ، وَاليَوْمُ الآخَرُ تَأْكُلُونَ فِيهِ مِنْ نُسُكِكُمْ.

বনূ আযহারের আযাদকৃত গোলাম আবূ ‘উবাইদ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,

আমি একদা ঈদে ‘উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে ছিলাম, তখন তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দুই দিনে সাওম পালন করতে নিষেধ করেছেন। (ঈদুল ফিতরের দিন) যে দিন তোমরা তোমাদের সাওম ছেড়ে দাও। আরেক দিন, যেদিন তোমরা তোমাদের কুরবানীর মাংস খাও।

সহিহ সূত্র: বুখারি ও মুসলিম (মুত্তাফাকুন আলাইহি) · متفق عليه

ব্যাখ্যা

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আযহার দিনে রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন। ঈদুল ফিতর হলো রমযান মাসের রোযা ভাঙার দিন, আর ঈদুল আযহা হলো কোরবানির পশু খাওয়ার দিন।

হাদিসের শিক্ষা

  • ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহা এবং তাশরিকের দিনগুলিতে রোযা রাখা নিষিদ্ধ; কারণ এটি কুরবানীর দিনের অংশ, তবে যারা কুরবানীর পশুর উপর সামর্থ হবে না তাদের ছাড়া, সেক্ষেত্রে তাদের জন্য তাশরিকের দিনগুলিতে রোযা রাখা জায়েয।
  • ইবনু হাজার বলেন: বলা হয়েছে: দুই দিন নির্ধারণ করার সুবিধা হলো তাদের রোযা ভাঙার বাধ্যবাধকতার কারণ নির্দেশ করা, যা হল রোযা থেকে পৃথক হওয়া এবং তার পরে সিয়াম ভাঙার মাধ্যমে এর পূর্ণতা দেখানো এবং তার সীমা বর্ণনা করা। আর অন্যটি হল আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য যবাই করা পশুর উদ্দেশ্যে যাতে তার থেকে খেতে পারে।
  • খতীবের উচিত তার খুতবায় তার সময়ের সাথে সম্পর্কিত বিধানগুলি উল্লেখ করা এবং উপযুক্ত উপলক্ষগুলি সম্পর্কে সতর্ক থাকা বাঞ্ছনীয়।
  • কুরবানীর পশু খাওয়ার বৈধতা।

সাওম পালনকারীর উপর যা হারাম

এই হাদিস অন্যান্য ভাষায়: Bosanski · English · العربية · Deutsch · Türkçe · Bahasa Indonesia · اردو · فارسی

মূল পাঠ, অনুবাদ, ব্যাখ্যা ও মান: HadeethEnc.com – অনূদিত নববী হাদিস বিশ্বকোষ। সূত্রে দেখুন

সম্পর্কিত হাদিস

← সব হাদিস ও বিষয়