ইসলামি উৎসব · 10 জিলহজ 1448 হিজরি

ঈদুল আজহা 2027

১০ জিলহজ · কোরবানির ঈদ · বকরি ঈদ

রবিবার, 16 মে 2027 – 4 দিন

189দিন
–ঘণ্টা
–মিনিট
–সেকেন্ড

কোরবানির ঈদ, ১০ জিলহজ, হজের সময়ে।

ঈদুল আজহা কী?

ঈদুল আজহা ১০ জিলহজ, আরাফার দিনের পরের দিন পালিত হয়, এরপর আইয়ামে তাশরিক। এটি ইবরাহিম (আ.)-এর পুত্র ইসমাইল (আ.)-কে কোরবানি করতে প্রস্তুত থাকার স্মরণ, যাঁকে আল্লাহ এক মহান কোরবানির বিনিময়ে মুক্ত করেন (সূরা সাফফাত: ১০২–১০৭)।

কোরবানি ঈদের নামাজের পর করা হয়; হানাফি মাজহাব অনুযায়ী ১২ জিলহজের সূর্যাস্ত পর্যন্ত করা যায়। গোশত তিন ভাগ করা মুস্তাহাব: নিজের পরিবার, আত্মীয়-প্রতিবেশী ও গরিবদের জন্য।

যে আমল করা হয়

  • সকালে সূর্যোদয়ের পর জামাতে ঈদের নামাজ।
  • ঈদের নামাজের পর কোরবানি (১২ জিলহজ পর্যন্ত)।
  • ১৩ জিলহজের আসর পর্যন্ত প্রতি ফরজ নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক।
  • ঈদ মোবারক শুভেচ্ছা, আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা ও কোরবানির গোশত বিতরণ।
  • যিনি কোরবানি দেবেন, তিনি ১ জিলহজ থেকে কোরবানি পর্যন্ত চুল-নখ কাটবেন না (মুসলিম)।

ঈদুল আজহা: আগামী দশ বছরের তারিখ

বছরতারিখহিজরি তারিখ
2027রবিবার, 16 মে 202710 জিলহজ 1448 হিজরি
2028শুক্রবার, 5 মে 202810 জিলহজ 1449 হিজরি
2029মঙ্গলবার, 24 এপ্রিল 202910 জিলহজ 1450 হিজরি
2030শনিবার, 13 এপ্রিল 203010 জিলহজ 1451 হিজরি
2031বুধবার, 2 এপ্রিল 203110 জিলহজ 1452 হিজরি
2032সোমবার, 22 মার্চ 203210 জিলহজ 1453 হিজরি
2033শনিবার, 12 মার্চ 203310 জিলহজ 1454 হিজরি
2034বুধবার, 1 মার্চ 203410 জিলহজ 1455 হিজরি
2035সোমবার, 19 ফেব্রুয়ারি 203510 জিলহজ 1456 হিজরি
2036শুক্রবার, 8 ফেব্রুয়ারি 203610 জিলহজ 1457 হিজরি

তারিখগুলো উম্মুল কুরা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী সম্ভাব্য। বাংলাদেশে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির ঘোষণা অনুযায়ী প্রায়ই এক দিন পরে হয়।

“কুরবানী” বিষয়ে হাদিস

এই বিষয়ে আরও হাদিস →

সাধারণ প্রশ্ন

ঈদুল আজহা 2027 কবে?

ঈদুল আজহা 2027 সম্ভবত রবিবার, 16 মে 2027 তারিখে (10 জিলহজ 1448 হিজরি)।

ঈদুল আজহা 2028 কবে?

ঈদুল আজহা 2028 সম্ভবত শুক্রবার, 5 মে 2028 তারিখে (10 জিলহজ 1449 হিজরি)।

ঈদুল আজহা আসতে আর কত দিন বাকি?

রবিবার, 16 মে 2027 পর্যন্ত আর 189 দিন বাকি। পৃষ্ঠার উপরের কাউন্টডাউন নিজে থেকেই আপডেট হয়।

কোরবানি কত দিন পর্যন্ত করা যায়?

হানাফি ও মালিকি মতে ১০ থেকে ১২ জিলহজ পর্যন্ত, শাফেয়ি মতে ১৩ জিলহজ পর্যন্ত।

কোরবানির গোশত কীভাবে ভাগ করতে হয়?

তিন ভাগ করা মুস্তাহাব: এক ভাগ নিজের পরিবারের, এক ভাগ আত্মীয়-প্রতিবেশীর এবং এক ভাগ গরিবদের জন্য।